গর্ভধারণ যে কোন নারীর জন্যেই আনন্দদায়ক। নিজ দেহের ভেতরে নতুন একটি
প্রাণের আগমণ। আর এটি জানতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়,
কোন কোন নারী গর্ভধারণের বেশ কয়েক মাস বুঝেই উঠতে পারেন না তিনি গর্ভবতী
কিনা।
আর গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস বাচ্চার নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত সতর্ক
থাকা প্রয়োজন। তাই কোন নারী গর্ভবতী কিনা একটু সতর্ক হয়ে কয়েকটি লক্ষণ
মিলিয়ে নিলেই তিনি ঘরে বসেই এই সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন।
গর্ভধারণ জানার সাত উপায় জেনে নিন সেই সহজ উপায়গুলো:
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০১৫
গর্ভধারণ জানার সাত উপায়
যৌন মিলনে নারীর কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান
যৌনমিলনের সময় অধিকাংশ নারী কোন না কোন সমস্যার সম্মুখীন হন, যার
অধিকাংশ সমস্যা হয় যৌনমিলনের সময়ে বা যৌনমিলনের পরে। তাই যৌনমিলনে নারীর
কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যোনী ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ (কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ। এক্ষেত্রে চিকিৎসা হিসেবে পিচ্ছিলকারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে। তবে পানি জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত
১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যোনী ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ (কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ। এক্ষেত্রে চিকিৎসা হিসেবে পিচ্ছিলকারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে। তবে পানি জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত
স্বতীচ্ছদ বা হাইমেন সম্পর্কে জানুন

যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি একটি আংশিক আবরনকারী পর্দা।
নারীর যৌনাঙ্গ

নারী যোনি হলো একটি নালি যা প্রায় পৌনে ৩ ইঞ্চি থেকে সোয়া ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা, যার চারপাশে থাকে আঁশ ও পেশির কলা, কিন্তু স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম নামক কোষের স্তরের দ্বারা আবৃত থাকে,
নারীর যোনির কর্মতৎপরতা

মেয়েদের মাসিক কি এবং কেন হয়?
প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা
মাসিক নিয়মিতকরণ বা এম.আর (Menstrual Regulation)

বর্তমানে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার অতি পরিচিত একটি শব্দ এম. আর (Menstrual Regulation) বা মাসিক নিয়মিতকরণ। এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে জরায়ুর অভ্যন্তরীন পরিবেশ বিঘ্নিত হয়, ফলে জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপিত হতে পারে না বা হতে দেয়া হয় না।
এম.আর কেন করা হয়
অনিয়মিত রক্তস্রাব/মাসিকের জন্য এম. আর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতার জন্যও করা হয়।
শল্য চিকিৎসায় এম.আর
শল্যচিকিৎসায় এম. আর একটি সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি। একটি নমনীয় প্লাস্টিকের নল এবং সিরিঞ্জের সাহায্যে এম. আর সম্পাদন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত: রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন হয় না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


